স্মৃতির পাতায় ভালোবাসা

গল্পটা অনেক বড় হলেও একটু কষ্ট করে পড়বেন, বিশেষ করে আমার যারা বন্ধু আছো। এই গল্পটা তোমাদের জন্যেই লেখা! 🙂

– জানুয়ারী –

* ১লা জানুয়ারী: ক্লাশ নাইনের প্রথমদিন ছিলো আজ। শুধু নতুন ক্লাশই না, স্কুলটাও আমার কাছে নতুন। বাবার চাকরি বদলী হওয়াতে শহরের স্কুল ছেড়ে নিজগ্রামে নতুন স্কুলে ভর্তি হতে হয়েছি। প্রথম দিনেই অনেকগুলো বন্ধু হয়েছে আমার। আরিফুল, আরমান, সবুজ, সুলতান, জয়, রাইসুল কয়েকটা মেয়ে বন্ধুও হয়েছে। জান্নাত, সুবর্ণা, ফারজানা, বিথী, শিমু, সুইটি জান্নাত আর বিথীদের বাড়ি আমাদের বাড়ির খুব কাছেই।

* ৩১শে জানুয়ারী: রাতে নাঈম, আশিকুল, রাকিব, আরেফিন, মান্নান, আমি মিলে জান্নাতদের বাড়ির পিছনের পুকুর পাড়ের খেজুর গাছ থেকে রস চুরি করেছি। জান্নাত আর নদীর নাকি অনেক দিনের শখ ছিলো চুরি করে খেজুরের রস খাওয়া। তাই ওদেরকে সেই চুরি করা রস থেকে কিছুটা দিয়ে এসেছি। জান্নাত যখন ঢক-ঢক করে রস দিয়ে গলা ভিজাচ্ছিল, আমি তখন ওর দিকে অপলক তাকিয়ে ছিলাম। চাঁদের আলোয় অদ্ভুব মায়াবী লাগছিল ওকে। অল্প কয়েকদিনের পরিচয়েই কেমন যেন একটা ভালোলাগা কাজ করছে মেয়েটার প্রতি। স্পষ্ট বুঝতে পারছি আজ।

– ফেব্রুয়ারী –

* ২১শে ফেব্রুয়ারী: আজকে ২১শে ফেব্রুয়ারী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। তাই ভোরে কালো পান্জাবী পরে খালি পায়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার জন্য। স্কুলে গিয়ে দেখি মিতু, শান্তা, জান্নাত ঠিক একই রকম কালো শাড়ি পরে এসেছে। কালো শাড়িতে অদ্ভুত রকম সুন্দর লাগছিল জান্নাতকে, কালো রঙেরও যে পরী হয় আজ দেখলাম। স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিলো। সব শেষ করে ফিরতে বিকেল গড়িয়েছে।

* ২৮শে ফেব্রুয়ারী: সারাদিন মনটা খুব খারাপ লাগছিল। তাই বিকেলে রাজবাড়ীর পুকুর পাড়ে বসে ছিলাম। কিছুক্ষন পর দেখলাম জান্নাত আর দুইটা মেয়ে এসেছে। ওরা রাজবাড়ী ঘুরে দেখছে। কাছে গিয়ে কথা বলে জানতে পারলাম ওই দুটো ওর ফুপাতো বোন, মিম আর মিথিলা। বিকেলের বাকি সময়টা ওদের সাথে আড্ডা আর দুষ্টুমি করেই কাটলো। ওর ফুপাতো বোনেরা শুনলাম ওকে জানু বলে ডাকে। জানু!

– মার্চ –

* ২৬শে মার্চ: স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ স্কুল বন্ধ ছিলো। আবার বৃষ্টির জন্মদিনও আজকে। তাই বৃষ্টি পার্টি দিয়েছিল সন্ধ্যায়। ইভা, লিজার সাথে মাহমুদা আর মোনালিসার ঝগড়া ছিলো। পার্টির সুযোগে ওদের মিল হয়ে গিয়েছে আজকে। শুভও আজকে আখিকে প্রোপোজ করে ফেলেছে সুযোগ পেয়ে।

* ৩০শে মার্চ: টিফিনে জানু, অন্তিম, লিকু ওরা আইসক্রিম খাচ্ছিল। ওদের কাছে গিয়ে ভাগ চাইলাম আইসক্রিমের, কেউই দিবে না। কিন্তু জানু আইসক্রিমটা পুরো চেটে-পুটে তারপর এগিয়ে দিলো। হুহ, আমিও ওর খাওয়াটাই খেয়ে ফেলেছি। শুধু বলেছি যে তোর ঠোটের স্পর্শে আইসক্রিমটা আরও মিষ্টি হয়ে গিয়েছে আর অমনি সব বান্ধবীরা মিলে আমাকে মার দেয়া শুরু করলো।

– এপ্রিল –

* ১৪ই এপ্রিল: পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে স্কুল আঙিনায় মেলা ছিলো আজ। আর সন্ধ্যায় আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবেশনাতেই অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আমি আর জানু এক সাথে নেচেছি। আরিফ আর জীবন গীটার বাজাচ্ছিল সাথে মন্টি আর খুশবু গান গাইছিল। মাসুদ নিজের লেখা কবিতা আবৃতি করেছে আর প্রিতম বক্তৃতা দিয়েছে। আবির, রায়হান ওরা করেছে নাটক। আমাদের সবার পার্ফমেন্সটাই দারুন ছিলো। হেড স্যার খুশি হয়ে আমাদেরকে অনেকগুলো টাকাও দিয়েছে। সেই টাকা দিয়ে ঠিক করেছি পিকনিক করবো। কিন্তু রাতে দেরি করে ফেরার কারনে মায়ের কাছে মার খেতে হয়েছে।

* ২০শে এপ্রিল: দুপুর দিকে হঠাৎ করেই কাল বৈশাখী ঝড় শুরু হলো। আমরা তখন ক্লাশের ভিতর। ক্লাশের জানালার কাচের অংশগুলো ভাঙা ছিলো। ঝড়ের বাতাসে সেখান দিয়ে পানি আসছিল। তাই আমরা সবাই ক্লাশের মাঝের দিকে জড়ো হয়ে বসেছিলাম। এর মাঝেই হঠাৎ প্রচন্ড শব্দে বাজ পরলো, মনে হয় বাজটা খুব কাছেই পরেছে। শব্দটা এতটা বিকট ছিলো যে জান্নাত ভয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে। ভয় যখন স্বাভাবিক হয়, তখন ও খুব লজ্জা রাঙা চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছিল। রাবেয়া আর আয়েশা তো ভয়ে কান্নাই করে দিয়েছে।

– মে –

* ১৯শে মে: স্কুলে যাওয়ার পথে যে বড় আম বাগানটা পরে, আজ ওখান থেকে কয়েকটা আম পেরে নিয়ে গিয়েছি। সেগুলো টিফিন পিরিয়ডে বন্ধুরা মিলে ভর্তা বানিয়েছি। কে কম খেয়েছে আ কে বেশি খেয়েছ, তা নিয়ে আজকে রুম্পা আর উর্মির মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া হয়েছে। ভাগ্যিস, আমার সাথে না। মেয়েগুলোটা যেই পাজি, আমি হলে তো বোধেহয় মারই খেতাম ওদের হাতে।

* ২৩শে মে: তাসনিমের প্রেমিকা সেলিনাকে বিরক্ত করার জন্য হৃদয়কে আজ বাধন, বিপ্লব, আশিক আর আমি মিলে থাপ্পর দিয়েছি। সে কথা আবার রুচি গিয়ে জান্নাতকে বলে দিয়েছে। মারামারি করাতে জানু আবার আমাকে থাপ্পর দিয়েছে। আমি নাকি গুন্ডা হয়ে গিয়েছি আর গুন্ডাকে এভাবেই থাপ্পর দিয়ে শায়েস্তা করতে হয়।

– জুন –

* ৪ঠা জুন: স্কুলের বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান ছিলো আজকে। আমি খেলাধুলা খুব একটা পছন্দ করি না। তাই আমি কোন খেলায় অংশগ্রহনও করিনি। আর জানু খেলায় তিনটা পুরস্কার পেয়েছে। গত বছর স্কুলে সর্বোচ্চ উপস্থিতির জন্য একটা আর ক্লাশে প্রথম হওয়ার জন্যে একটা। এতগুলো পুরুস্কারের ভারে মেয়েটা প্রায় চাপা পরে যাচ্ছিল। দেখে খুব হাসি পাচ্ছিল। শেষে আমাকে ওর বাড়ি পর্যন্ত সেগুলো পৌছে দিতে হয়েছে। ফিরে আসার সময় ওখান থেকে দু’টা পুরস্কার আমার হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। ওগুলো নাকি ও আমার জন্য পেয়েছে।

* ১৭ই জুন: বিকেলে নৌকায় দিয়ে ঘুরেছি। আমি, লিমন, সুপ্তি, সাব্বির আর সামিয়া। ঘুরতে ঘুরতে নৌকা নিয়ে বিলের ঐপারে মৌয়ের বাসায় গিয়েছিলাম। কিন্তু মৌকে পাইনি, ও সাফা আপুদের বাসায় বেড়াতে গিয়েছে। ঘুরতে যাওয়ার জন্যে জান্নাতকে ডাক দেই নি বলে নাকি ও কান্না করেছে। জাহিদুলকে বলছে কাল আমাকে পেলে নাকি মারবে। হা হা হা।

– জুলাই –

* ১৯শে জুলাই: আজকে ঈদুল ফিতর ছিলো। সকালে গোসল করে নামাজ পড়তে গিয়েছি। জহিরুল, ইমন, আজাদ, সীমন্তিদের সাথে অনেকদিন পর দেখা হলো আজকে। ঈদের ছুটিতে সবাই গ্রামে এসেছে। আজকে অনেক কিছু করার প্লান করেছিলাম। কিন্তু বৃষ্টির কারনে কিছুই করা হয় নি। শুধু বিকেলে জান্নাতের সাথে একটু ঘুরতে বেরিয়েছিলাম তাও আমাদের গ্রামেই।

* ২৩শে জুলাই: আজ সকাল থেকেই খুব বৃষ্টি হয়েছে। মাঝখানে একটু থেমেছিল, সেই সুযোগে স্কুলে গিয়েছি। কিন্তু গিয়ে দেখি কেউ আসেনি শুধু মনির, সোলায়মান, ইস্রাফিল, আসিফ আর সায়মন ছাড়া। তাই স্যারের কাছে ছুটি চেয়ে জানুর সাথে ভিজতে ভিজতে চলে এসেছি। বৃষ্টিতে ভিজে মেয়েটা যেন সজীবতায় ভরে উঠেছিল যেমনটা বৃষ্টি পেলে সদ্য ফোটা চারাগাছ হয়। দুজন এক সাথে হাটছিলাম আর হাতে বৃষ্টির পানি ধরে একে অন্যের দিকে ছুড়ে মারছিলাম। জীবনে প্রথম কোন মেয়ের সাথে বৃষ্টি বিলাস, কখনো ভূলতে পারবো না।

– আগষ্ট –

* ১৫ই আগষ্ট: স্কুলে আজ শিক্ষা মন্ত্রী এসেছিল। সকাল থেকেই স্কুলে সাজ সাজ রব, ক্লাশ নেই। জানু যখন মন্ত্রীর গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দিচ্ছিল, আমার খুব হিংসা হচ্ছিল। ও কেন অমন বুড়ো একটা লোকের গলায় মালা পড়ালো, স্কুলে কি সুন্দরী মেয়ের অভাব নাকি? বন্যা, রিয়া, আশা, স্মৃতি ওরাও তো ছিলো, ওরা তো যায় নি। জানু কেন যাবে? মনটা এখনও খারাপ লাগছে এটা ভেবে। ধ্যাত!

* ২৭শে আগষ্ট: স্কুল আঙিনায় গোল্লাছুট খেলতে গিয়ে আজ পা কেটে ফেলেছি। খুব রক্ত পরছিল ওখান থেকে। জানু ওর স্কার্ফ দিয়ে পা টা বেধে দিয়েছে। তারপর ছুটি নিয়ে বাসায় চলে এসেছি। ঠিক মত হাটতে পারছিলাম না দেখে জানুও চলে আসছে আমার সাথে। পুরোটা রাস্তা ওর কাধে ভর করে হেটেছি। মনে মনে বলছিলাম প্রতিটা দিনই যেন এভাবে পা কেটে যায়।

– সেপ্টেম্বর –

* ২৫শে সেপ্টেম্বর: আজ ঈদুল আযহা। সারাদিন গরু কাটাকাটি আর আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় মাংস দিয়েই কেটে গেছে। সন্ধ্যায় জানু দেখা করতে বলেছিল ওদের পুকুরঘাটে। গিয়ে দেখি ও একটা প্লেটে গরুর মাংস আর মুড়ি নিয়ে বসে আছে। এই জিনিষটা আমার অনেক প্রিয়, কোরবানির মাংস দিয়ে মুড়ি। পাগলী আজ নিজ হাতে তা খাইয়ে দিয়েছে। প্রতিবছর যা স্বাদ পাই, আজ ওর হাতে খেয়ে তা আরও সুস্বাদু লাগছিল। ইচ্ছে করছিল ওর হাতেই একটা কামড় দেই।

* ২৯শে সেপ্টেম্বর: ইমরানের বড় ভাইয়ের গায়ে হলুদের দাওয়াত ছিলো রাত্রে। আমারা সব বন্ধুরা গিয়েছিলাম সেখানে। সারারাত অনেক আনন্দ করেছি সবাই, নেচেছি, গান গেয়েছি। এই ফাঁকে অমিত আর জুথির মাঝে ভালো ভাব হয়ে গিয়েছে। জানুকে আজ ছোট বাবুর মত লাগছিল। হলুদ শাড়ি পড়েছে আবার দু’টো ডানা লাগিয়েছে। ছাদের উপর দাড়িয়ে অনেক কথা বলেছি দু’জন। ওকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন সত্যিকারের কোন পরী আকাশ থেকে নেমে আসলো মাত্র।

– অক্টোবর –

* ২রা অক্টোবর: আমাদের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অনেক বড় একটা খেলার মাঠ ছিলো। ওখানে এখন অনেক কাশফুল হয়েছে। বিকেলে জানুকে নিয়ে সেখানে ঘুরতে গিয়েছিলাম। ও কাশফুল খুব পছন্দ করে। সারা বিকেল আজ লুকোচুরি খেলেছি ওর সাথে। একে তো শরৎতের সাদা কাশফুল, তার উপর ওর সাদা জামা। যেন প্রকৃতি আর ও একই মায়ায় মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল।

* ২৪শে অক্টোবর: বর্ষার পানি কমতে শুরু করেছে। এই সময়টাতে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। তাই ক্ষেতে মাছ ধরার জাল পেতেছিলাম। বিকেলে সেই জাল তুলতে গিয়েছিলাম, জানুও ছিলো। জালে একটা সাপ আটকে গিয়েছে। সাপ দিয়ে জানুকে ভয় দেখাতে গিয়ে ও নৌকা থেকেই পরে গিয়েছে। অনেক কান্না করেছে ভয়ে। এখন মনে হচ্ছে এমনটা করা ঠিক হয়নি ওর সাথে।

– নভেম্বর –

* ১২ই নভেম্বর: কয়েকদিন ধরেই জানু নদী দেখতে চাইছিল। নদী ওর খুব প্রিয়। তাই আজ বিকেলে নদী তীরে সূর্যাস্ত দেখতে গিয়েছিলাম। গোধুলীর শেষ লগনে সূর্য সোনালী আলো ছড়াচ্ছিল আর সে আলো নদীর জলে প্রতিফলিত হয়ে জানুর মুখে পড়ছিল। মনে হচ্ছিল ওর গায়ের রঙই যেন সোনালী। সোনালী মায়া যেন ঠিকরে পরছিল ওর চোখে। খাদিজা, সুস্মিতা, আইরিনও ছিল সাথে।

* ৩০শে নভেম্বর: কয়েকদিন ধরে কুয়াশা পরছে খুব। কুয়াশার মধ্যেও আজ ভোরে স্কুলে যেতে হয়েছে। স্কুলে এমপি আসবে, তাই কিছু কাজ ছিলো। এত বেশি শীত ছিলো যে আমি ঠক-ঠক করে কাঁপছিলাম। ও তখন ওর চাদরটা এগিয়ে দিয়ে বললো “এইটা নে, তুই তো শীতে মেশিনের মত কাঁপছিস।” তারপর বাকি পথ এভাবে এক রকম জড়াজড়ি করে একই চাদর গায়ে দুজনে স্কুলে পৌছেছি। যতটা না গরম ওই চাদের কারনে লাগছিল, তার চাইতে বেশি তাপ লাগছিলো ওর শরীরের স্পর্শে।

– ডিসেম্বরে –

* ১৬ই ডিসেম্বর: আজ বিজয় দিবস। সকালে উপজেলা ষ্টেডিয়ামে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠান ছিলো। আমাদের স্কুলের পক্ষ থেকে জানু আর আমি একসাথে ষ্টেজে গান পারফর্ম করেছি। গানের মাঝখানে ভালোবাসি শব্দটা বলার সময় আমরা দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছিলাম। একটা পুরস্কারও পেয়েছি আমরা।

* ৩১শে ডিসেম্বর: আজ আমাদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে। সবার ফলাফলই ভালো হয়েছে। সবাই বেশ খুশি। জানু এবারও প্রথম হয়েছে। স্যারের মুখে প্রথম হওয়ার ঘোষনাটা শুনেই ও খুশিতে লাফ দিয়ে সবার সামনে আমাকে জড়িয়ে ধরেই একটা চুমু! তারপর খানিক নিরবতা। যখন ব্যাপারটা বুঝতে পারলো, আমাকে ছেড়েই লজ্জায় এক দৌড়।

এখন শুধু সামনের বছরের অপেক্ষা…

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


Scroll to Top