জন্মেছিলাম সেই ৯৭ এর কোন এক বসন্তের সকালে। তারপর পেরিয়ে গেছে থেকে প্রায় ১৯ টি বছর, হাটি হাটি পা পা করে চলে গিয়েছে ১৯ টি বসন্ত। আজ আবারও সে বসন্ত সামনে হাজির।
শুনেছি বসন্ত নাকি ভালোবাসার সময়। ভালোবাসার মত কেউ না থাকলেও অনুভব করতে পারি, বসন্তের মাঝে সত্যিই কি এক অদ্ভুত ভালোবাসার মায়া ছড়িয়ে আছে। বসন্তের রোদে ভালোবাসা, বাতাসে ভালোবাসা, কোকিলের সুরে ভালোবাসা, বসন্ত নামেই ভালোবাসা।
অনেক শখ ছিলো প্রেম করার, সুখে-দুঃখে সব সময় কারো হাতটা শক্ত করে ধরে রাখার। কিন্তু জগতের একটা নিয়ম হচ্ছে, যে যা চায়, সে তা পায় না। ভালোবাসা নামের জিনিষটাও হয়তো আমার কাছে এমন, কখনোই ধরা দিবে না।
কল্পনা রাজ্যে রাজকুমারীকে সাজাই, কিন্তু কখনো তাকে শারীরিক আকার দেই নি, দিয়েছি মানষিক আকার। শরীরের সৌন্দর্য, সে তো বাহ্যিক, খুঁজেছি একটা মনের মত মন। যে আমাকে ভালোবাসবে, অগাধ বিশ্বাস করবে আর কোন পরিস্থিতিতেই ছেড়ে যাবে না।
আজ মনে হচ্ছে, ঠিক মনের মতই যে কাউকে পেতে হবে, এমন কোন কথা নেই। তার চাইতে নিজেকে কারো কাছে সপে দিয়ে তার মত করে গড়ে নেয়ার সুযোগ দেয়াটাই হয়তো বেশি ভালো। খানিকটা নিজে বদলে যাওয়া, খানিকটা কাউকে বদলে দেয়া। তারপরেই হবে মনের মত মন।
ঠিক মনের মতই যদি কাউকে খুঁজতে হয়, তাহলে ভালোবাসার সার্থকতা কোথায়? ভালোবাসার মায়া ফেলে কাউকে নিজের মত করে গড়ে নেওয়াটাই হচ্ছে ভালোবাসার চরম ক্ষমতা।
ভাবছি, কেউ একজন হাতটা ধরুক, বলুক যে “সুখে হোক আর দুঃখে হোক, সারাটা জীবন এভাবেই হাতটা ধরে থাকবো!”, তার কাছেই হাতটা সঁপে দিবো, “নাও, তবে যত্ন করে রেখো!”
