ব্যক্তিগত

হারানো শৈশব

১ মিনিট পড়া

হারানো দিন গুলোর কথা মনে পরলে মাঝে মাঝে খুব খারাপ লাগে, আবার মাঝে মাঝে মনে হয় এখনি ভালো আছি। জানি সেদিন গুলো কোন দিন খুঁজে পাব না। তবুও ফিরে যেতে ইচ্ছা করে সেদিন গুলোতে। যে খানে যাই করি না কেন, কারো চোখে দৃষ্টি কটু লাগার মত কিছু নাই। আর তাই তো এখনো মাঝে মাঝে গোল্লাছুট খেলি, ডিম-কুসুম খেলি। যদিও ছোট বেলায় আমি এগুলা খেলতাম না। ছোট বেলা থেকে আমার নেশা বিজ্ঞান এর দিকে। তাই তখন ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে কাজ করতাম। একেবারে যে বিফল ছিলাম, তেমন না। অনেক কিছু তৈরি করেছি। এখন আর সেগুলো করা হয় না। তবে আমার নিজ হাতে বানানো একটা পানির পাম্প, যেটা পানির বোতলের মুখ দিয়ে বানানো সেটা এখনো আমার ঘরে আছে। সেটা যে এমনিতে বানিয়েছিলাম, এমন না। ওটা দিয়ে জর আসলে মাথায় পানি দেয়া যায়। টুকটাক অনেক কিছু বানিয়েছিলাম। তারপর ঝোঁক আসলো কম্পিউটারের দিকে। আচ্ছা, ছিলাম শৈশবে, আবার ফিরে যাই। শৈশবে আমরা প্রায়ই একটা জিনিষ করতাম। গাড়ি বানাতাম। মেশিনের ভিতর যেই বিয়ারিং থাকে, ওটা দিয়ে। তারপর সারাদিন ওইটায় তেল ভরতাম (পানি!)। ছোট বেলায় চুরি করিনি। করেছি যখন ৮-৯ এ পড়ি। তাই বলে ভাববেন না টাকা-পয়সা চুরি! চুরি করে ডাব, আম খেতাম। তবে খুব বেশি খাই নি। এখনো খাই, মাঝে মাজে। আচ্ছা, আবারো কৈশোরে চলে আসছি। আমি যখন ইলেক্ট্রনিক্স এর কাজ করতাম, এলাকার মানুষ আমাকে ইঞ্জিনিয়ার বলত। আমি রেগে যেতাম। বলতাম মিস্ত্রি বলতাম। এখন বুঝি কোনটা কি! এটা খুব আগের কথাও না। আমি ক্লাস ৫ এ পড়ি। কতটা বোকা ছিলাম আমি। এখন যে খুব বেশি চালাক হয়ে গেছি, টা নয়। এখন আগের চাইতে আরও বেশি বোকা। আবার অনেকে পণ্ডিত বলত। এই নাম টা শুনে আমি এমনও দিন গেছে যে আমি কাঁদছি। কেন আমি নিজেও জানি না! খুব দুরন্ত শৈশব পার করতে পারি নাই আমার মায়ের জন্য। সারাক্ষণ শাসন করতো। কোথাও যেতে দিত না। এভাবেই কেটে গেছে আমার সেই শৈশব বেলাটা।

নিউজলেটার

নতুন লেখা ইমেইলে পান

মাইন্ডট্রিপ ও রাডার, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

Newsletter signup

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


Scroll to Top