মাত্রাহীন দুষ্টুমি

দুষ্টুমির মাত্রাটা যে কোথায় যাচ্ছে বুঝতে পারছি না। গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই মনে পরল কলেজের একটা নোটিসের কথা। দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্য প্রদান করা হবে। মাথায় একটা আইডিয়া আসলো যে দরিদ্র তহবিল থেকে টাকা তুলে পার্টি দিবো! যেই ভাবা সেই কাজ, সাথে সাথে বন্ধুকে ফোন দিয়ে জানালাম। প্রথমে রাজি না হলেও, পরে রাজি হল। আজ ছিল সেই টাকার জন্য আবেদন করার দিন। সকালেও একটা দ্বিধায় ছিলাম আবেদন করবো কি না। তাই ঘুম থেকে উঠলাম ৯ টায়, তাও বন্ধুর ফোনে। উঠেই ঝটপট গরিবি সাজ! কিন্তু বিপত্তি বাধল যে মানিব্যাগ উধাও বারি থেকে! কলেজে যাওয়ার ভাড়া নাই, সাথে আমার দরকারি কাগজ! মনে হচ্ছিলো যে এমন একটা কাজ করতে যাচ্ছি বলেই হয়তো এই অবস্থা। তবুও গেলাম, ভাবলাম বাধায় থেমে গেলে চলবে না। কলেজে গিয়ে স্যারকে তহবিলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতেই বলল তুমি গরিব? তোমাকে দেখে তো মনে হয় না! আর যারা কলেজে ৯০% এর কম উপস্থিত ছিল, তাদেরকে দেয়া হবে না। আমি প্রিন্সিপালকে বলব যে এই ছেলে কলেজেই আসে না! কি আর করার, দিলাম স্যারের ব্রেইন ওয়াশ করে। “স্যার আমরা তো খুব গরিব, যার কারণে আমাকে একটা দোকানে চাকরি করতে হয়। আর স্যার, কলেজে আসার সময় তো আর একেবারে খারাপ ভাবে আসা যায় না। :)” তারপর প্রিন্সিপাল এর কাছে, এমন একটা ভাব, কিছুই বুঝি না! “স্যার, আপনি দরিদ্র তহবিলের কথা বলেছিলেন। তো ঐটার জন্য…” স্যার একবার পুরপুরি দেখে বলল “তোমার আবেদনটা নিবো, তবে আজ না কাল” তারপর স্যার কে একটা ছোট থেরাপি দিয়ে এলাম! বিকেলে আরেকটা মজার কাহিনী! এক বন্ধু একটা মেয়ে পছন্দ করে। ঐ মেয়ের বাসায় যাব কি করে? বাসার সামনে গিয়ে চোখে হাত দিয়ে, “দোস্ত চোখে কি যেন গেছে, পানি দিবো!” তারপর ঐ বাসায় গিয়েই পানি দেয়া শুরু! কিন্তু দুঃখের বিষয়, মেয়েটাকে দেখতে পেলাম না! সব কিছুই আজকে অর্ধেক…

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


Scroll to Top