একটা ছেলে ছোট বেলা থেকেই এটা ওটা কাউকে না বলে নিয়ে আসে তারপর মা বাবাকে দেখায়। তখন তার মা বাবা তাকে কিছু বলে না, মনে করে ছেলে তো ছোটই আর এটা খুব দামি জিনিসও না এমনেই দুষ্টামি করে এনেছে। তারপর ছেলেটা আসতে আসতে বড় হয়, তার চাহিদা বাড়তে থাকে আর সেই সাথে না বলে এটা ওটা নেয়াটাও বাড়তে থাকে, আমরা এটাকে চুরির মধ্যে খুব একটা ধরি না। এই ছেলেটাই তারপর এখানে ওখানে মারামারি করতে পসন্দ করে, তারপর তার মাথায় রাজনীতির ভূত চাপে। এরাই হয় ভবিষ্যতের নেতা কারন তাদের চাপার জোর আছে আর আছে সাহস। কিন্তু, এদের সেই ছোট বেলার সেই ছোট জিনিসটা চুরি করার স্বভাবটা কিন্তু যায় না, বয়স আর ক্ষমতার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তেই থাকে। এভাবে তার জীবনটা খুব ভাল ভাবেই কাটে, কিন্তু সমস্যাটা হয় দেশের সাধারণ মানুষের। আমরা না পারি তাদের সাথে বড় গলায় দুটো কথা বলতে, না পারি তাদের কাজ মেনে নিতে। বেশিরভাগ সময়, তৃতীয় শ্রেণির মানুষ গুলোই আমাদের দেশের নেতা হয় হোক সেটা ইউনিয়ন অথবা ওয়ার্ড পর্যায়ের। আর আমরা শুধু তাদের কথাই মেনে যাই! ভাল মানুষ গুলো কখনোই নেতা হতে পারে না কারন তাদের কথার জোর বলে কিছু থাকে না। আর যদি এভাবেই চলতে থাকে, আমার দেশ কখনোই উন্নত হবে বলে মনে হয় না।
লেখক পরিচিতি
তানভির ইসরাক
বাংলাদেশের একজন কৃষক, চিন্তক ও নির্মাতা। আমি লিখি জীবন্ত মাটি, মন আর আমাদের গড়া প্রযুক্তি নিয়ে।
আরও পড়ুন
বিয়ে : একটি সামাজিক অসামাজিকতা
ডিসেম্বর 28, 2017
মায়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের করণীয় কি?
আগস্ট 29, 2017
একজন শিল্পীর সার্থকতা…
ডিসেম্বর 11, 2016


